saree drapping style

শাড়ির আঁচল পরার ১০ উপায়

শাড়ি পরার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন দিক হচ্ছে শাড়ির আচল নেয়ার ধরণ। শাড়ি পরার পর আপনার লুক টাই পুরোপুরি বদলে দেয় এই আচল পরার ঢং ই। বিভিন্ন স্টাইলে শাড়ির আচল নেয়া যায়, আপনার যেভাবে খুশি একে স্টাইল করে পরতে পারেন।
আপনার যদি সবসময় একই ধরনের শাড়ি পরতে পরতে বিরক্ত এসে যায় বা আপনি কনফিউজড থাকেন কিভাবে আচল টা পরলে আরো ভালো লাগবে তাহলে দেখে নিন আমার আজকের কেহাটি।

আমি শাড়ি নিয়ে নানান জিনিস পড়ে বা ঘাটাঘাটি করতে করতে কয়েকটি স্টাইল পেয়েছি, সেগুলো আজ শেয়ার করব।

১) সামনের দিকে কুচি করেঃ
যদি একেবারে ঝামেলাহীন,ক্লিন পরিপাটি লুক চান তবে এই স্টাইলেই পরুন। আচল্টি সুন্দর করে কুচি করে নিন, তারপর কাঁধের উপর বসিয়ে দিয়ে একটি পিন দিয়ে ভিতর থেকে আটকে দিন।
এইভাবে আচল নেয়াটা আসলে একেবারেই ঝামেলাহীন, পরিপাটি আর খুব সহজেই শাড়িটি পরা যায়, সাথে মেইন্টেইন করাও ইজি। এবং যারা এক্সপেরিমেন্ট করতে খুব অভ্যস্ত নন, বা চিন্তা করেন শাড়ি ম্যানেজ করা খুব ঝামেলার তাদের জন্য এইভাবে পরাই সবচেয়ে সহজ।

২)পাশে কুচি করেঃ
আপনি শাড়িতে একটু ভিন্নতা আনতে এক পাশে কুচির মত লেয়ার করে পরতে পারেন, আর উপরে আচল টি নরমালি কুচি করে কাঁধে পড়ে নিলেন। ব্যাস হয়ে গেলো সুন্দর পরিপাটি স্টাইল।

৩)একেবারে শেষ কুঁচিটা দেখিয়েঃ
আপনি আপনার আচল কুচি করে শেষ কুঁচিটা একটু বড় রেখে সেটা বাইরের দিকে শো করে তারপর কাঁধের উপর আটকে দিন। আচল এর লেংথ বড় বা ছোড় ইচ্ছেমত রাখতে পারেন পিছনে।
যে শাড়ি গুলোর পাড় একটু চওড়া সেগুলো এভাবে পরলে বেশ ভালো লাগে। এইভাবে শেষ কুঁচিটা বাইরের দিকে রেখে যে আচল্টা পরা হয় অনেক সময় কিমানো স্টাইল এর মত মনে হয়।
এটাও বেশ ঝামেলাহীন আর বর্ডার ভালো ভাবে বুঝতে পাড়ার জন্য দারুন লুক আসে পরলে।

Collected

৪)কোমরের কার্ভ দেখিয়েঃ
আপনার যদি কোমর দেখা যাওয়া নিয়ে কোনো সংশয় না থাকে তবে এই স্টাইল্টি চেষ্টা করতে পারেন। এটা খুব সহজভাবেই নরমালি যেভাবে আচল কুচি করে কাথে আটকে দিয়েছিলেন ওভাবেই পড়া ,জাস্ট কোমড় টা খোলা থাকবে এতে ছবির মত। এটি সাধারণত লম্বা লেন্থ এর বা টপ্স স্টাইল ব্লাউজ এর সাথে বেশি ভালো মানায়।

৫)বেল্ট ব্যাবহারঃ
আঁচল অফ শোল্ডার স্টাইলে নিয়ে বেল্ট দিয়েও পরতে পারেন। খুব সতর্কতার সাথে আচলের ভাজ গুলো গুজে দিতে হবে জাস্ট। আরেকটু সাবধানতা চাইলে ফ্যাশনেবল ট্যাপ পাওয়া যায় তা দিয়ে আঁচল টা আটকে দিন, বা পিন আপ ও করে নিতে পারেন সাবধানতার সাথে। না হয় ছুটে যেতে পারে আচল টা কাধ থেকে।

Pinterest

৬)আচলে ব্রুচ এর ব্যাবহারঃ
শাড়ির ম্যাটেরিয়াল যদি পিচ্ছিল বা ঝরঝরে হয় যেমন সাটিন,শিফন, জর্জেট বা হাল্কা সিল্ক তবে আঁচল এর কুচি মেইন্টেইন করতে সামান্য ঝামেলা হয়, তার জন্য একটা বড় চওড়া ব্রুচ দিয়ে আঁচল টি আটকে দিন। দেখতেও বেশ ভালো লাগে, ঝামেলাও কমে গেলো।


৭)এক প্যাচ এর মত ঝর্না স্টাইলেঃ
সবচেয়ে মজার হয় গতানুগতিক আঁচল না পড়ে একটু এক্সপেরিমেন্টাল ভাবে পরলে, যেমন এই ঝর্না স্টাইলে আচল টি পড়ে দেখুন কেমন ভিন্নতা চলে আসে আপনার সাজে।

৮)সোজা বিপরীত দিকে আঁচল ফেলেঃ
আপনি আপনার শাড়ির আঁচল পিছন দিক থেকে সামনের দিকে কুচি করে পিন করে আটকে দিতে পারেন, এতে লেহেঙ্গা টাইপ লুক আসবে । এই ধরনের স্টাইল কে মৌসুমি স্টাইল শাড়ি পরা বলা হত। দারুন টুইস্ট আসে এভাবে পরলে।

৯)সামনের দিকে লম্বা করে আঁচলঃ
এই স্টাইলে সোজা শাড়ি পড়ে আচল্টা দীর্ঘ করে সামনের দিকে এমনকি ফ্লোর টাচ করবে এরকম ও হতে পারে, এভাবে সুন্দর করে কুচি করে পিছনে ছোট্ট করে মানে শর্ট আঁচল ফেলে পিন আপ করে দিন।

১০)স্কার্ফ স্টাইলে আঁচলঃ
শাড়ির আচল স্কার্ফ এর মতন পেঁচিয়ে গলায় বেধে নিতে পারেন, শুধু মনে রাখবেন একেক শাড়ি একেক্রকম ভাবে বাধতে হয় , দেখতেও একেক টা শাড়িতে একেক রকম ভিন্ন ভিন্ন লুক আসে এভাবে স্কার্ফ স্টাইলে পরলে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top
1 Shares
Tweet
Share
Pin
Share